গুয়ারেখার প্রতিবাদী মৃদুল মন্ডলকে নিয়ে কাঁদা ছোড়াছুড়ির অভিযোগ !

স্টাফ রিপোর্টার
- আপডেট: ১১:৫৮:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 19
গুয়ারেখা ইউনিয়ন থেকে ফিরে মোঃ আব্দুস সালামঃ
ভালোকে ভালো বলার লোকজনের সংখ্যা দিনে দিনে হ্রাস পাচ্ছে। মন্দ লোকজনের বিপক্ষে প্রতিবাদ করার লোকজনেরও সংখ্যা আরও হ্রাস পাচ্ছে। অথচ আদর্শ লিপি বইয়ের শিক্ষা ভুলে যাওয়া হচ্ছে। হীন স্বার্থের জন্য আমাদের প্রতিনিয়ত নৈতিক অধঃপতন হচ্ছে। আর সেই সূত্র ধরেই ঐতিহ্যবাহি গুয়ারেখা ইউনিয়নও বাদ যাচ্ছে না। অন্ধকারে নীতি আদর্শ হারিয়ে যেতে বসছে ক্রমাগত ভাবে। অথচ হাজারো সমস্যার মধ্যে দুই একজন প্রতিবাদী লোকজন রয়েছে কিন্তু। সকলে কিন্তু একসঙ্গে নিরবতা পালন করেন না। সুন্দর ধরনীর বুকে দুই চারজন সাহসী উচ্চারণ করা লোকজন রয়েছে। আর সেই সূত্র ধরেই ঐতিহ্য বাহি বাটনাতলা গ্রামের ঘটনার কথাই বলছিলাম সুপ্রিয় পাঠকদের জন্য। আর সেই সাহসী উচ্চারণ করা মানুষটি আর কেউ নয় বরং আমাদের সকলের প্রিয় প্রয়াত মনোরঞ্জন মন্ডলের পুত্র মৃদুল মন্ডল। দীর্ঘদিন প্রবাসে ছিলেন। আর সেই সূত্র ধরেই মৃদুলের মন মানসিকতার পরিবর্তন আসে প্রতিটি কাজের মধ্যে। ভালো কে ভালো বলার চর্চা পূর্ব থেকেই মৃদুল মন্ডলের। আর সেই সূত্র ধরেই সমাজের একটা পক্ষের লোকজন মানতে নারাজ। আর সেই কারণেই সমাজের একটা চক্র পরিকল্পিত ভাবে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করার গুরুত্বপূর্ণ মিশনে ছিল। কিন্তু আসল ঘটনা না বলে নামমাত্র তথ্য দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ঠান্ডা মাথায় অপপ্রচার করা হয়েছে। আর সেই কারণে গ্রামের কয়েক শতাধিক লোকজন তীব্র প্রতিবাদ সহ নিন্দা জ্ঞাপন করেন।
একজন মৃদুল মন্ডল কিন্তু প্রতিবাদী কন্ঠ।গ্রামের মধ্যে যাবতীয় অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহসী উচ্চারণ করা মানুষটির নাম মৃদুল মন্ডল। আর সেই মানুষকে নিয়ে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে কাঁদা ছোড়াছুড়ি কোন ভাবেই মেনে নিতে পারছেন না। সমাজের মধ্যে একটা বিতর্কিত পরিবারের বিরুদ্ধে সাহসী উচ্চারণ করা মৃদুল মন্ডল নিয়ে নাম একটা অক্ষাত পেইজ দিয়ে অপপ্রচার চালায়।
এব্যাপারে বাটনাতলা গ্রামের বেশির ভাগ লোকজন গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, সাংবাদিকতা একটা মহান পেশা অথচ কিছু কিছু ব্যাক্তি সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালায়। আমাদের গ্রামের বেশির ভাগ লোকজন অবগত মৃদুল মন্ডল কোন ধরনের মানুষ। অথবা মিথ্যা গল্প সাজিয়ে একধরনের নাটক রচয়িতা করেন। গ্রামের সাবেক বেশ কয়েকজন জনপ্রতিনিধিরা গণমাধ্যম কর্মীদের সন্মানে বলেন, বাটনাতলা গ্রামের ইতিহাস ঐতিহ্য আছে। কিন্তু কিছু কিছু হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন গ্রামের সুনাম সুখ্যাতি নষ্ট করার গুরুত্বপূর্ণ মিশনে রয়েছে। বিগত বছরগুলোতে ঐপরিবার এতটাই নিন্দিত যা সকলেই কমবেশি অবগত। আইনের কাঠগড়ায় যেতে হয়েছে অসামাজিক কার্যকলাপের জন্য। কথায় আছে, ” কয়লা ধুইলেও ময়লা যায় না “। আর দুঃসাহসিক কাজ করার জন্য প্রতিবাদী মৃদুল মন্ডল ছিল দারুণ স্বোচ্ছার।ফলে ভালো কাজের পুরস্কার হলো হিতে বিপরীত। নইলে কিছু নাম সর্বস্ব পেইজ দিয়ে মিথ্যা অপবাদ সহ অপপ্রচার চালায়। হীন স্বার্থের জন্য ভালো কাজকে ভালো না বলে বরং কিছু অর্থের বিনিময়ে প্রতিবাদী মৃদুল মন্ডলের বিপক্ষে অপপ্রচার চালায়। একটি বারও ভালো কিংবা মন্দের বিষয়ে যাছাই বাছাই না করেই হুটহাট করে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে অপপ্রচার চালায় সাহসী উচ্চারণ করা মানুষ মৃদুল মন্ডলের বিপক্ষে।
আর সেই কারণেই গ্রামের কয়েক শতাধিক লোকজন তীব্র প্রতিবাদ সহ নিন্দা জ্ঞাপন করেন। সরেজমিনে যাওয়া গণমাধ্যম কর্মীরা গ্রামের মধ্যে শতাধিক লোকজনের সাথে কথা বলার চেষ্টা করেন।একান্ত আলাপ চারিতায় বেশকিছু কঠিন কঠিন তথ্য বের হয়ে এসেছে। প্রতিবাদী মৃদুল মন্ডলের সাহসী উচ্চারণ না হলে হয়তো গণমাধ্যম কর্মীরা কিছুই জানতে পারতো না।
এদিকে নাম না প্রকাশের শর্তে গণমাধ্যম কর্মীদের বেশকিছু হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন বলেন, সাহসী উচ্চারণ করা মৃদুল মন্ডল যে কাজটি করেছেন সেটা সঠিক সিদ্ধান্ত। কিন্তু আসল রহস্য অন্য দিকে। নইলে পঁচা জিনিসের পক্ষে কিছু কিছু গণমাধ্যম কর্মীরা সাপোর্ট দেয়। আর এখানেও নানান প্রশ্ন উঁকি ঝুঁকি দিচ্ছে সর্ব মহলে। গ্রামের সুশীল সমাজের লোকজন সরেজমিনে যাওয়া গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন আসলে মৃদুল মন্ডলকে হেয় করার গুরুত্বপূর্ণ মিশনে একটা পক্ষ। আসলে আগামী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মৃদুল মন্ডল। তাই একঢিলে দুই পাখি মারার মহা প্ল্যান পরিকল্পনা ছিল । নইলে বরাবরই স্পষ্টভাবে সাহসী উচ্চারণ করার লোক হিন্দু সম্প্রদায়ের মৃদুল মন্ডল। আর এখানেই গানিতিক টেবিলের হিসাব নিকাশ। হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে ভোটের সংখ্যা বেশী। তাছাড়া মুসলিম ভোটারদের একটা অংশ মৃদুল মন্ডলকে মনে প্রাণে সাপোর্ট দিয়ে আসছেন। ফলে আগামীর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মৃদুল মন্ডলের পক্ষে সর্বস্তরের মানুষেরা। ফলে সম্ভাব্য অন্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীরা কৌশলে পঁচা জিনিসের পক্ষে গিয়ে কিছু সাম্ভাধিক দিয়ে অপপ্রচার চালায়। আসলে অর্থের কারণে কিছু কিছু গণমাধ্যম কর্মীরা নীতিমালা ভুলে যান। আর সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মৃদুল মন্ডলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালায়। অথচ এতকিছুর পরও গ্রামের বেশির ভাগ লোকজন মৃদুল মন্ডলের পক্ষে গিয়ে ঐক্য প্রক্রিয়া তৈরী করে তীব্র প্রতিবাদ সহ নিন্দা জ্ঞাপন করেন।
এব্যাপারে সরেজমিনে যাওয়া গণমাধ্যম কর্মীরা সরাসরি কথা বললেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মৃদুল মন্ডলের সাথে। তিনি মৃদু হেসে বললেন, এটাও আমার জন্য একটা শিক্ষা। সাধারণ মানুষের গভীর ভালবাসা দেখে আমি দারুণ মুগ্ধ। আমাকে এতটা ভালবাসে তা আগে বুঝতে পারি না-ই। কিন্তু মিথ্যা অপবাদ দিয়ে অপপ্রচার করার বিরুদ্ধে গ্রামের বেশির ভাগ লোকজন তীব্র প্রতিবাদ সহ নিন্দা জ্ঞাপন করেন। আসলে আমি সার্থক হয়েছি। ভালো কাজের পক্ষে এত লোকজন দেখে। তিনি আরও বলেন, একটা জিনিস প্রমাণ হয়েছে, ” সমাজের মধ্যে কিংবা গ্রামের মধ্যে এখনো ভালো কাজের মূল্য বেশি। আমার মতো বহু প্রতিবাদী লোকজনের নিখাদ ভালবাসায় আমি মুগ্ধ। চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হবো কিনা সেটা আসল বিষয় নয় বরং ভালো কাজের পুরস্কার হিসেবে সাধারণ মানুষের ভালবাসাই আমার কাছে সেরা পুরস্কার। ভগবনকে ধন্যবাদ এই কারণে আসলে ভালো কাজের পক্ষে লোকজন আছে কিন্তু। সবাই কিন্তু অন্যায় এবং অসামাজিক কার্যকলাপের পক্ষে নয়। স্থানীয় প্রশাসনের লোকজনও দারুণ আন্তরিক ছিলেন। আসলে হুটহাট করে সমাজের মন্দ কাজগুলো একদিনে পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।আসলে আমি বরাবরই স্পষ্টভাবে সাহসী উচ্চারণ করা মানুষ। তা-ই অন্যায় দেখা মাত্র তীব্র প্রতিবাদ করি। হয়তো এটাই আমার বড় সমস্যা। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী বাটনাতলা এলাকার মধ্যে ভালো কাজের জয় হয়েছে। মন্দ লোকজন অপপ্রচার করতে পারে কিন্তু স্থায়ী কম সময়ের জন্য হয়।সত্য চিরকালই সত্য।
ট্যাগ :
- সর্বশেষ
- জনপ্রিয়



