বরিশালের বিসারকান্দির ক্যাডার সজিবের কাছে জিম্মি ব্যাবসায়ী সহ সর্বস্তরের মানুষ !

স্টাফ রিপোর্টার
- আপডেট: ১১:০৩:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 20
ক্যাডার সজিবের কাছে জিম্মি ব্যাবসায়ী সহ সর্বস্তরের মানুষ !
বিসারকান্দি থেকে ফিরে সাজ্জাদ সাকিব রবিনঃ
বিসারকান্দি ইউনিয়নের উমারেরপার গ্রামের কে এই সজিব ? এত শক্তিশালীর খুঁটির জোর পেল কোথায় ? আর সেই বিষয় নিয়ে বিসারকান্দি ইউনিয়নের উমারেরপার গ্রামের ভুক্তভোগীদের পাশাপাশি সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের অভিযোগের ভিত্তিতে চুল চরা বিশ্লেষন করলেন গণমাধ্যম কর্মীরা।অনুসন্ধানে অনেক প্রশ্ন উঁকি ঝুঁকি দিচ্ছে সর্ব মহলে ! বিশেষ করে ০৫ আগষ্টের পর পরই হুটহাট করেই তরকারি বিক্রেতা নান্না মিয়ার ছেলে মোঃ সজিব হুটহাট করে বিএনপির সাইনবোর্ড লাগিয়ে একতরফা রামরাজত্ব কায়েম করার গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ উঠেছে। সমগ্র গ্রামের মধ্যে এক ধরনের হরিলুট শুরু করে দেওয়া সত্যতা অনুসন্ধানে বের হয়ে আসছে। সূত্র জানায় তরকারি বিক্রেতা মোঃ নান্না মিয়ার ছেলে মোঃ সজিব( ৩২)।বিসারকন্দি ইউনিয়নের মধ্যে উমারেরপার গ্রামের ০৮ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোঃ সজিব। আওয়ামী লীগের পতন হওয়ার পর পরই হুটহাট করে বিএনপির সাইনবোর্ড লাগিয়ে গ্রাম থেকে সমগ্র ইউনিয়নের মধ্যে রামরাজত্ব কায়েম করার গুরুত্বপূর্ণ মিশনে ছিল। আর সেই সূত্র ধরেই বর্তমান সময়ে দারুণ বেপরোয়া স্বভাবে পরিনত হয়েছে মোঃ সজিব । ফলে নিরীহ ব্যাবসায়ীরা সহ সাধারণ মানুষ নিরাপদ ছিল না ০৫ আগষ্টের পর পরই । বরং ঠান্ডা মাথায় বিএনপির সাইনবোর্ড লাগিয়ে একতরফা ভাবে রামরাজত্ব কায়েম করে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব তৈরী করতে সক্ষম হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ সব সময় নিরাপত্তা হীনতায় ভুগিতছে। আইনের শাসন নেই বললেই চলে উমারেরপার গ্রামের মধ্যে। ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা সজীব একটা সঙ্ঘবদ্ধ চক্র তৈরি করে ইউনিয়নের মধ্যে সকল অপকর্মে লিপ্ত থাকার সত্যতা নিশ্চিত করেন সরেজমিনে যাওয়া গণমাধ্যম কর্মীরা।
এব্যাপারে উমারেরপার গ্রামের বেশির ভাগ লোকজন নাম না প্রকাশের শর্তে গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, আমাদের গ্রামের মধ্যে সজিব ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন আওয়ামী লীগের পতন হওয়ার পর পরই। হুটহাট করে যাখুশি তাই করে যাচ্ছেন যত্রতত্র ভাবে। দেখার কেউই নেই বরং মনে হচ্ছে উনি বাংলার ডন। বিএনপির সাইনবোর্ড লাগিয়ে একতরফা ভাবে সকল অপকর্মে লিপ্ত রয়েছে সজিব। অল্প সময়ের মধ্যে জাদুর বাঁশি দিয়ে চাঁদাবাজি, মারামারি, ছিনতাই, মাস্তান দিয়ে কাউকে উঠিয়ে নিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা দাবী করা তার নিত্যনৈমত্রিক কাজে পরিনত হয়েছে। বিচিত্র দৃশ্যের ঘটনা ঘটছে বানারীপাড়া উপজেলার মধ্যে উমারেরপার গ্রামে। বিএনপির সাইনবোর্ড ব্যাবহার মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার সত্যতা নিশ্চিত করেন সরেজমিনে যাওয়া গণমাধ্যম কর্মীরা।অনুসন্ধানে আরও জানা যায় সজিব বিগত বছরগুলোতে আওয়ামী লীগের সাথে সম্পৃক্ত ছিল কমবেশি। ফাঁকে ফাঁকে টুকটাক অপকর্মে জড়িত ছিল। আর সেই সূত্র ধরেই ০৫ আগষ্টের পর পরই দারুণ বেপরোয়া স্বভাবের হয়েছে। আদব কায়দা নেই বললেই চলে। মামা মেম্বার এবং বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। আর সেই কারণে ভাগিনা সজিব বর্তমান সময়ে নম্বর ওয়ান বেয়াদব এবং ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা যাচ্ছেন যত্রতত্র ভাবে। ফলে উমারেরপার গ্রামের মধ্যে বাংলার ডন সজিব। বাবা তরকারি বিক্রেতা নান্না মিয়ার ছেলে মোঃ সজিব। রাজনীতির মাঠে কোয়ালিটি নেই বরং চাঁদাবাজি সহ সকল অপকর্মে লিপ্ত থাকার যোগ্যতা আছে। বিচিত্র সেলুকাস আর বিচিত্র চিন্তা ভাবনা নিয়ে চলছে সজিবের রামরাজত্ব।
এব্যাপারে উমারেরপার গ্রামের বেশির ভাগ লোকজন নাম না প্রকাশের শর্তে গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, কোয়ালিটি বিহীন সুবিধা নেওয়া হাইব্রিড নেতা সজিব। আমাদের গ্রামের মধ্যে বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বিতর্কিত এবং নিন্দিত হলো সজিব । ভাবসাব এমন যেন উনি বর্তমান সময়ে তামিম সিনেমার ডন। নইলে নিজের অবস্থান না বুঝেই এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। সকল অপকর্মে লিপ্ত থাকার সত্যতা নিশ্চিত করেন এলাকার বাসিন্দারা। চাঁদাবাজি, ধান্দাবাজি, নিরীহ ব্যাবসায়ীদের উঠিয়ে নিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা দাবী করা তার নিত্য নৈমিত্তিক রুটিন। বর্তমান সময়ে এছাড়াও মাদকের সিন্ডিকেট সজিবের নিয়ন্ত্রণে। সমগ্র ইউনিয়নের মধ্যে মাদকের স্বর্গরাজ্যে পরিনত করেছে সজিবের বিশাল নেটওয়ার্ক। প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে হাজার হাজার টাকা কামিয়ে নিচ্ছেন কৌশলে। সাইনবোর্ড বিএনপির রাজনৈতিক অথবা বিএনপির মূলনীতি কি কি তাও হয়তো বলতে সক্ষম হবে না। গ্রামের ব্যাবসায়ীরা সহ সাধারণ মানুষ নিরাপদ নয়। অভিযোগ উঠেছে নারী নিয়ে আমোদ ফুর্তি করতেও দারুণ পটু। তালতলার নারী ঘটিত ঘটনা এলাকার বাসিন্দারা অবগত রয়েছে। সাধারণ মানুষ সজিবের অপকর্মের কথা বলতে সাহস পাচ্ছে না। যদিও কেহ প্রতিবাদ করলেই পরবর্তী সময়ে তার বিরুদ্ধে মব সৃষ্টি করে সামাজিক এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে হেনস্তা করেন। এমনকি ঠান্ডা মাথায় মোটা অঙ্কের টাকাও হাতিয়ে নেওয়ার সত্যতা রয়েছে। এলাকায় আইনের শাসন নেই বললেই চলে। এক ধরনের রামরাজত্ব কায়েম করে চলছে সজিবের মতো কিছু দুষ্ট ও হাইব্রিড বিএনপির নেতারা। মাঝে মধ্যে প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা পালন করলেও পরবর্তী সময়ে থমকে যায় বিভিন্ন কারনে। ফলে টাউট কিংবা ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা সজিবের নিয়ন্ত্রণে চলে যায় পুরো এলাকা।নারী, মদ জুয়া,চাঁদাবাজি, ঠেকবাজি সহ ব্যাবসায়ীদের জিম্মি করে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়া সময়ের ব্যাপার। অথচ মেম্বার মামা বিগত বছরগুলোতে ইঁট বাটায় কাজ করতো। আর বর্তমান সময়ে লক্ষ লক্ষ টাকার মালিক। আলাউদ্দীনের চেরাগ পেয়েছে মামা। আর তারই ভাগিনা উমারেরপার গ্রামের মধ্যে মূর্তিমান আতঙ্কের নাম সজিব। নারীদের নিয়ে আমোদ ফুর্তির ভিডিও ফুটেজ থাকা সত্ত্বেও আইনের কাঠগড়ায় যেতে হয়নি। কারণ সজিব বর্তমান সময়ে উমারেরপার গ্রামের মধ্যে বাংলার ডন। আইন কানুনের তোয়াক্কা করে না সজিব গংরা।
এদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা সরেজমিনে যাওয়া গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, সময় এসেছে এখনই সজিবের মতো বেয়াদব, নারী আসক্ত, মাদকের সিন্ডিকেট করা নম্বর ওয়ান ওস্তাদ সজিবকে নিয়ন্ত্রণে আনা দরকার। নইলে আগামীতে একজন সজিবের কারনে সাধারণ বিএনপির কর্মীরা মহা বিপাকে পড়বে। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়া সকলের দরকার। স্থানীয় বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দের নজর দেওয়া দরকার। সজিবের সকল অপকর্ম বন্ধ করা দরকার। ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে বেশীদিন কেহই টিকতে পারে না। তাছাড়া একজন তরকারি বিক্রেতা নান্না মিয়ার ছেলে। এরচেয়ে বড় পরিচয় দেওয়ার মত আহমরি কোন সার্টিফিকেট নেই। আর একখানা সাইনবোর্ডে আছে হাইব্রিড বিএনপির নেতা। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী এলাকার শিক্ষক সমাজ সহ সর্বস্তরের মানুষ হাইব্রিড বিএনপির সজিবের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি চায়। এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা সজিবের কঠিন থেকে কঠিনতর শাস্তি হোক। এছাড়াও বহু নারীরা বলেন, লম্পট সজিবের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি হোক। পাশাপাশি অসহায় ব্যাবসায়ীরাও কঠিন শাস্তির দাবী জানান। তবে ভিন্ন কথা বললেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও মেম্বার পদপ্রার্থীরা। নিঃশব্দে বলেন, ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা সজিবের লাগাম থামানো দরকার। নইলে বিএনপির ভীষণ ক্ষতি হবে আগামীর জন্য। পাশাপাশি প্রশাসনের সুদৃষ্টি বাড়ানো দরকার। এবিষয়ে বানারীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, আমাদের কাছে মৌখিক বহু অভিযোগ এসেছে সজিবের বিরুদ্ধে। কিন্তু লিখিত অভিযোগ না পেলে আমরা আহামরি তেমন কিছু করতে পারিনা। তবে এটাও সত্য, মাদকের ভয়াবহতা অতি মাত্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিটি অলিগলিতে মাদকের সয়লাব। মূল সিন্ডিকেটকে ধরতে পারলেই মাদক অনেকটা নিয়ন্ত্রণে। সজিবের নারী কেলেংকারী সহ মাদক, চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া মাত্রই আইনানুসারে ব্যাবস্থা নিবো ইনশাআল্লাহ।
ট্যাগ :
- সর্বশেষ
- জনপ্রিয়



